নিশ্চল কলেবর
নিশ্চল কলেবর
আমার ভাঙা দরজার হাতলে –
তুমি যত্নে রাখো ফুলগুলো,
প্রতিদিনের এই চিত্র-
আজ, এক দুই করে প্রায়- ছয় মাস।
আমি ওদিকে চাইলে দেখি-
গোলাপের মুক্ত দৃশ্যপটে তোমার ব্যাকুল চাহনি,
বকুলের মালায় মাখা মৃদু আহবান, আর
নীরস বেলীতে রুদ্ধ, এক অবলুপ্ত কন্ঠ।
দেখি, শুকনো বর্নহীন কাঠগোলাপে – তোমার হারানো অস্তিত্ব
সাথে না ফেরার অপারগতা।
অথচ আমার হৃদয়ে তখন মরুর তৃষ্ণা,
দ্রোহের আগুনে সিদ্ধ -প্রেম,
অন্তরের প্রচন্ড তাপদাহে, শান্ত নদীকে পোড়ানোর উগ্রতা।
যেন বছরের পর বছর জমানো ক্ষোভ!
এই দুঃখ, বিরুদ্ধ, শাসনে – শিথিল, নিশ্চল কলেবরকে ভাঙতে, তাই তুমুল জলোচ্ছ্বাস এর আকাঙ্ক্ষা-
তোমার শান্ত, কোমল চাহনি দেখে, পুলক অনুভব করেনি।
লেখক: সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
